কচুয়ায় ইউপি ভবন ভাংচুর – আটক ৩

;
  • প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল ২০২১, ৭:১৪ অপরাহ্ণ | আপডেট: ২ মাস আগে
কচুয়ায় ইউপি ভবন ভাংচুর - আটক ৩

হেফাজত ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে গ্রেফতারের প্রতিবাদে কচুয়ার ৬নং উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের জানালা, সামনের দেয়াল, সরকারি সাইনবোর্ড ও আওয়ামী দলীয় নেতা-কর্মীদের ব্যানার-ফেস্টুন ভাংচুর করা হয়েছে। রোববার রাত সাড়ে ৮টায় দেড় শতাধিক হেফাজত সমর্থক ও নেতা-কর্মী একত্রিত হয়ে তেতৈয়া গ্রামে অবস্থিত ইউপি ভবনে হামলা ও ভাংচুর করে।

এ ঘটনায় ৬নং উত্তর কচুয়া ইউপি সচিব মফিজুর রহমান বাদী হয়ে গতকাল ১৯ এপ্রিল সোমবার ১২ জনের নাম উল্লেখ ও ৪০/৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে কচুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করে, যার নং ১৬। ওই মামলার আসামী হিসেবে ৩ জনকে আটক করেছে কচুয়া থানা পুলিশ।

গ্রাম পুলিশ নারায়ণ চন্দ্র বলেন, ঘটনার সময় আমি ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ভিতরে অবস্থান করছিলাম। হঠাৎ হেফাজত সমর্থিত নেতা-কর্মীরা ইউপি ভবনের সামনে ও চারপাশে ভাংচুর চালায়। তবে এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান কাজী জহিরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি। তিনি জানান, যা বলার পুলিশকে বলেছি।

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সেক্রেটারী অ্যাডঃ এম. আখতার হোসাইন হেফাজত সমর্থিত নেতা-কর্মী কর্তৃক আওয়ামী দলীয় ফেস্টুন ও ইউপি ভবন ভাংচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। পাশাপাশি অপর আসামীদের দ্রæত গ্রেফতারের দাবি জানান। ইউপি সচিব মফিজুর রহমান বলেন, রোববার রাতে প্রায় দেড় থেকে দু’ শতাধিক হেফাজত সমর্থিত নেতা-কর্মী উজানী, দারচর ও খিড্ডা এলাকা থেকে আকস্মিক জড়ো হয়ে সরকারি ইউপি ভবনে রাষ্ট্রীয় মালামাল, দরজা-জানালা ও ভবন ভাংচুর করায় আমি কচুয়া থানায় মামলা দায়ের করি।

কচুয়া থানার ওসি মহিউদ্দিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, হেফাজত সমর্থিত নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ মিছিলের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। তাৎক্ষনিক ৩ জনকে আটক করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

এই সম্পর্কিত আরও খবর...